যখনই কোথাও জান্নাতুল ফেরদৌস মেখে যাই তখন আগে আগে ধারণা করে বসে থাকি এই কেউ আসবে এখন আতরের নাম জানতে অথবা এই বুঝি জিজ্ঞাসা করলো ঘ্রাণের ব্যাপারে, এটা এখন পুরোনো এক্সপেরিয়েন্স কারন জান্নাতুল ফেরদৌস ব্যবহার করাটাই এক প্রাচীণ পশনেস, আসলে মজাও লাগে কেউ নিজের পার্ফিউমের প্রশংসা করলে হেহেহে। আর জান্নাতুল ফেরদৌস তো এমন এক ঘ্রাণ যেটা ভালো না লেগে কোন উপায় নেই, এর ঘ্রাণ যেন নাসিকা দিয়ে প্রবেশ করে কলিজা পর্যন্ত ঠাণ্ডা করে দেয়। আর ছড়ায়ও বহু দূর পর্যন্ত৷
.
সেদিনই তো আসরের নামাজের আগে মসজিদে বসে সাড়ে ৩ মি.লি. বোতলটা বের করে অল্প একটু মাখলাম পাঞ্জাবি আর দাড়িতে, সুঘ্রাণ এতো দ্রুত ছড়ালো যে আসেপাশের দুয়েকজন আংকেল শেয়ার চাইলো আতরের, এলাকার মসজিদ সবাই পাড়া প্রতিবেশী চাচা, জেঠা পরিচিত, একটু একটু করে দিয়ে দিলাম তাদের পাঞ্জাবিতেও। আরিব্বাস এসি রুমটা গমগম করছিলো সুঘ্রাণে শেষমেষ মুয়াজ্জিন সাহেবও এসে ভাগ চাইলেন, এমন শক্তিশালী সুঘ্রাণ এই আতরের।
.
অন্ধকার রাতে যদি গ্রামের পথ দিয়ে হেঁটে যান এই আতর দিয়ে তাহলে যারা একটু ভীতু তারা ভয়ে দৌড় দিবে আধ্যাত্মিক কিছু বা জ্বিন ভেবে 
কারন এর ঘ্রাণ অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ায়, আর লং লাস্টিংও প্রচুর৷ একবার এক বোতল থেকে আরেক বোতলে ঢালতে গিয়ে আমার জামায় পড়ে যায়, আমি ১০ দিন পরেও সেই জামা থেকে জান্নাতুল ফিরদৌসের ঘ্রাণ পেয়েছি৷
.
তো যারা একের ভেতর সব চান, জান্নাতুল ফিরদৌস আতরটা ঠিক তাদের জন্যই। এটা একদিকে যেমন আপনার কনফিডেন্সকে বুস্ট করবে অপরদিকে আপনাকে বানাবে অন্যদের চোখে একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ, আগের দিনে জমিদাররা হেঁটে গেলে তাদের ভৃত্যরা পেছনে সুগন্ধি ধুপ ধরে নিয়ে যেত যেন বোঝা যায় যে জমিদার সাব হেঁটে গেছেন এখন দিন পাল্টেছে এখন আর ধুপ লাগেনা, এখন জমিদাররা জান্নাতুল ফিরদৌস ইউজ করে 
.
Remember this bro code ❝Your scent is your signature❞




Ataullah Shah –
জান্নাতুল ফেরদৌসের চেয়ে সেরা কোনো আতরই হয় না