এক বিশাল অশ্ববাহিনীকে অবলোকন করছিলাম দূর থেকে দাঁড়িয়ে। ধূলিমাখা প্রান্তরের বুক চিরে তারা এগিয়ে আসছে ধীরে ধীরে, অথচ প্রতিটি খুরের আঘাতে যেন কেঁপে উঠছে চারপাশের নীরবতা। সামনের ঘোড়াটিকে চিনতে কষ্ট হলো না, আন্দালুসিয়ান জাত, বিশাল শরীর, অগ্নিময় চোখ, ক্ষ্যাপাটে কেশর; তার ঝাঁকুনিতে বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে আগুনের ফুলকির মতো আলো। পিঠে বহুমূল্যের রাজকীয় আসন, আর সেখানে বসে আছেন স্বয়ং সুলতান, নির্ভার, অবিচল, অদম্য।
এই দূরত্বের মাঝেও এক তীব্র, গভীর সুবাস এসে পৌঁছাচ্ছে আমার কাছে। সে ঘ্রাণ যেন রাজত্বের মাটির সঙ্গে মিশে থাকা কোনো প্রাচীন শক্তির নিঃশ্বাস। বুঝে উঠতে পারছি না, এই সংগ্রামী সুবাস কি ঘোড়ার কেশর থেকে উঠে আসছে, নাকি সুলতানের মুকুটের অলিখিত অহংকার থেকেই জন্ম নিচ্ছে? শুধু জানি, এই ঘ্রাণ কেবল একজন রাজার কাছ থেকেই আসতে পারে। এমন একজন পুরুষ, যার উপস্থিতিতেই দশজনের শক্তি নীরবে মাথা নত করে।
এই শাহী ঘ্রাণের নাম, সিকান্দার। হ্যাঁ রাজকীয় নামই বটে কারন এটিও কোনো সাধারণ সুগন্ধি নয়; এটি সুলতানি ঘরানার উত্তরাধিকার। যার ভেতরে শাসনের দৃঢ়তা, নেতৃত্বের ভার, আর সাহসের নির্ভীক দীপ্তি নেই, তার শরীরে এই ঘ্রাণ মানায় না। নারীরা সাবধান, এটি আপনাদের জন্য নয়। কিন্তু আপনার স্বামী যদি এই ঘ্রাণ মেখে আপনার সামনে আসে, তবে তার প্রতি আপনার নতুন করে মোহ জন্মানো অবশ্যম্ভাবী, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
হয়তো গল্পটা অবাস্তব, হয়তো দৃশ্যটা কল্পনার, কিন্তু এই ঘ্রাণের সংজ্ঞা সম্পূর্ণ বাস্তব। সিকান্দারকে বোঝাতে হলে গল্প লাগে, কল্পনা লাগে, আর লাগে এক অনমনীয় হৃদয়। কারণ রাজকীয় সুবাস সবাই গ্রহণ করতে পারে না। এটি বহন করতে হয় শক্ত বুকের ভিতর, যেখানে ভয় ঢুকতে সাহস পায় না।
আমাদের সবচেয়ে এক্সক্লুসিভ ও এক্সপেন্সিভ পার্ফিউম অয়েলগুলোর একটি এই সিকান্দার, যার জন্ম ওমানের বিখ্যাত ইতরুল আমওয়াজে, আর সেখান থেকে সরাসরি এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে। এই সুবাস যাবে শুধু সেইসব তেজস্বী পুরুষের কাছে, যাদের সুগন্ধির প্রতি রয়েছে আলাদা এক পাগলামি। কারণ দুনিয়ায় রাজত্ব করতে যে ডেডিকেশন লাগে, তা কেবল পাগলামির বুকেই জন্ম নেয়।




Koushiq Sultam –
Ja chaisi tar cheyeo 5 gun beshi paisi etate
Papia junayed –
জিনিসটা অনেক বেশি ভাল্লাগসে, অনেক ইউনিক স্মেল। জামাই ইউজ করছে আর আমি ফিল নিতেছি।