ভার্সিটির করিডোর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আদনানকে এখন আর আগের মতো খুব একটা শোরগোল করতে দেখা যায় না। তার চেহারায় এক ধরনের নীরব প্রশান্তি খেলা করে, যা কি না নতুন করে দ্বীনের পথে ফেরার এক পবিত্র প্রতিফলন। খুব বেশি কথা সে বলে না, কিন্তু তার বিনয় আর নম্র ব্যবহার ক্লাসের সবার কাছেই এখন এক পজিটিভ দৃষ্টান্ত। এই যে তার জীবনটা আমূল বদলে গেল, এই বদলে যাওয়ার গল্পের সাথে এক অদ্ভুত মিশেল তৈরি করেছে ‘Nuke’।
আদনান যখন হল সংলগ্ন মসজিদের এক কোণে বসে মগ্ন হয়ে তালীম পড়ে, তখন তার চারপাশ থেকে ছড়িয়ে পড়ে গভীর এক আভিজাত্য। এটি কোনো সস্তা বা উগ্র সুবাস নয়, বরং এতে আছে উডি এক আদিম গাম্ভীর্য আর আরব্য মরুভূমির এক রহস্যময় আবেশ। Nuke-এর প্রতিটি ফোঁটা যেন আদনানের ব্যক্তিত্বের মতোই পরিপাটি। এর প্রথম ছোঁয়ায় যখন সেই রাজকীয় আরব্য কাঠের ঘ্রাণটা নাকে আসে, তখন চারপাশের অস্থিরতা এক নিমিষেই থমকে যায়। এরপর ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে পবিত্র মাস্ক বা কস্তুরীর সেই মায়াবী রেশ, যা কেবল নাকেই পৌঁছায় না, বরং সরাসরি হৃদয়ে এক ধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।
নতুন করে দ্বীনে ফেরা আদনানের সেই নম্রতার সাথে এই মাস্কি আর উডি সংমিশ্রণটা একদমই মানানসই। সে যখন ক্লাসে কিংবা কোনো দ্বীনি মজলিসে বসে, তখন তার গায়ের এই আভিজাত্যপূর্ণ সুবাসটা অন্যদের মনে এক অদ্ভুত শ্রদ্ধা আর কৌতূহল তৈরি করে। Nuke এখানে কোনো ধ্বংসের নাম নয়, বরং এটি আদনানের চরিত্রের সেই নীরব বিপ্লব, যা তার বিনয় আর শুদ্ধতার সুবাস দিয়ে চারপাশকে মোহিত করে রাখে। আদনানের শুভ্র পাঞ্জাবি আর Nuke-এর সেই অভিজাত আরব্য রেশ, দুটো মিলে যেন এক আধ্যাত্মিক সুন্দরের নতুন গল্প লিখে চলেছে প্রতিদিন।





Reviews
There are no reviews yet.