প্রাচীণ মিশরিয় সভ্যতা নিয়ে আমার কৌতুহলের শেষ নেই, এই পর্যন্ত যে কতগুলো মিথোলজি শেষ করেছি তার হিসেব নেই আমার নিজের কাছেও, তবে শুনে আশ্চর্য হবেন প্রাচীণ মিশরীয় সংস্কৃতিতে তাদের খাবার, পোশাক, পাদুকা কেমন ছিল এসবে আমার আগ্রহ নেই তেমন আমার আগ্রহ রয়েছে কেবল তাদের সুঘ্রাণ আর রথকে ঘিরে। হুম বাস্তবতা তো এটাই যে যেটা যার নেশা সেটাই তার পেশা, আমিও এর বাইরে না।
.
মিশর এখনো অব্দি তাদের আদি সংস্কৃতিকে ধারণ করে পোশাকে আশাকে না হলেও অন্তত তাদের সুগন্ধি বাসনা এখনো টিকে আছে আগের মতোই নাক উঁচু করে, এর কারন একটাই সেটা হচ্ছে ঘ্রাণ সূচনালগ্ন থেকেই মানুষকে নিজের দিকে প্রবল আকর্ষণ করে। আর প্রাচীণকালের যেই রিসোর্সগুলো থেকে প্রাকৃতিক সুগন্ধিগুলো তৈরি হতো তারমধ্যে অন্যতম ছিলো বাখুর…….
.
আরবের বেদুঈনরা বাখুরকে তুমুল জনপ্রিয় করে তুললেও বাখুরের মূল ব্যবহার কিন্তু শুরু করেছিলো মিশরীয়রাই। তারাই সর্বপ্রথম বের করেছিলো এর সুগন্ধি অন্তত অ্যান্থনি মারমিন এর রিচার্স আর্টিকেল এমনটাই জানাচ্ছে। এটা জানার পর থেকে একটা ঝোঁক চাপে বলতে পারেন নেশায় ধরে যায় বাখুর সংগ্রহের।
.
এরপর থেকে হায়দ্রাবাদি, ইউনানি, আরাবি কত বাখুরই মাখলাম গায়ে কিন্তু বাখুরের অরিজিনাল ফ্লেভার পেলাম যেদিন আজহার পড়ুয়া এক ভাই ছোট এক বোতল আতর গিফট দিয়েছিলেন সেদিন, এর ঘ্রাণ আমাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো সেই মিশর পর্যন্ত, হ্যাঁ কায়রোর অলিগলির প্রাচীণ আতরের দোকান থেকে শুরু করে গিযা পর্যন্ত ৩০ মিনিট ড্রাইভের বড় মার্কেটগুলো সব জায়গাতেই দেখা মিলছে মিশরের এই আদি সুবাসের যার নাম মিশরি বাখুর।
.
একটা মজার কথা শুনবেন? প্রাচীণ মিশরিরা ভাবতো বাখুর এক ঐশ্বরিক জিনিস এটা গায়ে মাখলে বা ধুপ জ্বালালে দুষ্ট আত্না ও শয়তানরা দূরে থাকে। এবং তাদের পবিত্র রাখে, যদিও তাদের বিশ্বাস বোগাস কিন্তু পবিত্রতার কথাটাতে আমি প্রভাবিত কেননা আসলেই মনে হয় যেন খুব পবিত্র একটি ঘ্রাণ মেখে ঘুরে বেড়াচ্ছি। আরো একটা মজার কথা শুনবেন? সেটা হচ্ছে মিশরি বাখুরের জন্য আপনাকে মিশর যাওয়ার কোন দরকারই নেই সেন্টারা থেকে খুব সহজেই আপনারা মিশরি বাখুর পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।





Reviews
There are no reviews yet.