জানেন মন কিন্তু বিষন্নতায়ও সুগন্ধির খোঁজ করে! এই যেমন অজানা অকারনে মনটা ভার ভার লাগছে, কোনোকিছুতেই মনোযোগ বসছে না। কেমন যেন বিতৃষ্ণা লাগছে সকল কিছুই তখন আপনার এই সিচুয়েশন কাটিয়ে উঠতে হেল্প করতে পারে “সুগন্ধি”। কেন জানেন? কারন সুবাস স্মৃতিচারণ করায়।
আমার যখন একটু মন খারাপ লাগে, আমি যখন একটু অবসাদগ্রস্ত হই তখন আমার কাছে সবচেয়ে বেস্ট লাগে যেই সুগন্ধিটিকে বা যেই সুগন্ধিটি তার সৌরভের মায়ার জালে ফেলে আমার মনের ভারত্বকে হালকা করে দেয় সেটা হচ্ছে “Alexander”
আলেক্সেণ্ডার খুব জাদুকরি, খুব উচ্চবিলাসী কোনো পার্ফিউম অয়েল এমন কিন্তু কিছুই না। এটার পরিচিতি মার্কেটে বেশ কম। জিনিসটা পাওয়াও একটু কষ্টকর এবং রেয়ার। এই পার্ফিউম অয়েলের সবচেয়ে ভালোদিক হচ্ছে এর নোটস কম্বিনেশনটা। পার্ফিউমার মনে হয় যেন অনেকদিন ভাবনা চিন্তা করে সময় নিয়ে বহু যত্নে একে তৈরি করেছে, এমনভাবে তৈরি করেছে যে এই আতর এপ্লাই করা যে কেউই তার কোনো গহীন স্মৃতিরে ফিরে যাবে।
আমি প্রথম কোনো পার্ফিউম অয়েলে দেখেছি যে, মাস্কি, আর্থি, ফ্রুটি, পাউডারি নোটসকে একসাথে ব্লেণ্ড করা হয়েছে। এবং মিড নোটে রাখা হয়েছে সুইট, ভ্যানিলা এবং সিট্রাস কে। আর একদম বেইজ নোটসে দেয়া হয়েছে ভায়োলেট আর ল্যাকটোনিকের নোটস। একবার চিন্তা করেন যে এটা তৈরি করেছে সে কি লেভেলের জিনিয়াস যিনি প্রকৃতির নোটসগুলোকে যুক্ত করে দিয়েছেন রোমান্টিক সফট ফ্লেভারের সাথে। মাশাআল্লাহ।
এই ফ্লেভারগুলো যখন ব্লাস্ট করতে থাকে, তখন আপনি উদ্যোম খুঁজে পান। হারানো মনোযোগ ফিরে আসা, ভাঙা মনটা হালকা হতে থাকে, মাঝে মাঝে আবার স্মৃতিকাতর হয়ে চোখের কোণে একটু পানিও জমে উঠতে পারে। তবে মাঝে মাঝে স্মৃতিতে জড়িয়ে আবেগাপ্লুত হওয়াও কিন্তু খারাপ না। আর আপনি যদি এই পরিস্থিতিগুলোতে নিজের জন্য বেটার কিছু চান তাহলে আলেক্সেণ্ডারের চেয়ে বেস্ট হয়তো কিছু পাবেন না৷





Mohon Majumder –
If you really want to purchase any perfume for time being I must must suggest you to take Alexander, you can’t imagine what this thing is!