আজ একটু থেমে দাঁড়িয়ে কথা বলা যাক এক সেপটার্ড, গুরুগম্ভীর, ম্যাচিওর ঘ্রাণের সঙ্গে। যে ঘ্রাণ উচ্চকণ্ঠে নিজেকে জাহির করে না, অথচ নীরব উপস্থিতিতেই চারপাশকে নিজের মতো করে নেয়। তার নাম Abottabad—মিডেল ইস্টার্ণ পার্ফিউমের রাজসভায় যিনি পাতশাহী ভাব নিয়ে চলেন, তিনিই এই Abottabad। খাঁটি, অউদি, ডার্ক অথচ ভেতরে প্রচ্ছন্ন এক অদম্য শক্তি, একেবারে রাজকীয়।
বোতলটি হাতে নিন। একবার হালকা ঝাঁকি দিন। তারপর মুখ খুলে কব্জিতে রোল অন করে নিন সামান্য। চোখ বুজে নাকের কাছে আনুন। প্রথম যে ঘ্রাণ এসে ধরা দেবে, তা আগর, পিঙ্ক পেপার, লাইম আর সিসিলিয়ান স্পাইসের এক আশ্চর্য পরিমিত সংমিশ্রণ—ম্যাচিওর, সংযত, এবং খুব তীক্ষ্ণ। এই টপ নোট যেন সকালের প্রথম আলোয় দাঁড়িয়ে থাকা কোনো নিঃসঙ্গ পুরুষ, যার চোখে ক্লান্তি নেই, অথচ গভীরতা আছে। এই অনন্য ভারসাম্যের কারণেই সেন্টারার ডিরেক্টর মজা করে একে বলেন “রেসপন্সিবল ইত্তার”।
এবার একটু অপেক্ষা করুন। রোল অন করা অয়েলটি ত্বকে আলতো করে রাব করুন। নাকের খুব কাছে এনে আবার অনুভব করুন। ধীরে ধীরে খুলে যাবে মিড বা হার্ট নোটসের দরজা। সেখানে সিডার আর এঞ্জেলিকার ইন্টেন্স স্টিকের উষ্ণতা, সঙ্গে মিশে থাকা সুইট ফ্লোরালের পবিত্র ছোঁয়া, বাইরে কঠোর, ভেতরে নরম। ক্ল্যাসিক স্ট্রং মেইল, যার পরনে আধুনিক ট্রেন্ডি অ্যাটায়ার, অ্যাবোটাবাদ যেন তারই প্রতিচ্ছবি। সংযত, মার্জিত, আনকম্প্রমাইজড।
তবে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এত সাওয়ার স্পাইসি আর হার্ড অউদের ভিড়ে সুইটনেস বা স্মোকি ভাবটা কোথায়? ওহে বন্ধু, এগুলো তো লুকিয়ে থাকে গভীরে। এই ঘ্রাণের গোড়ায়। বেইজ নোটসে সাজানো হয়েছে বোল্ড স্যান্ডাল অউদ, হ্যান্ডসাম আগরঅউদ আর মাস্কের মিষ্টতার মিশ্রণে। এখানেই জন্ম নেয় Abottabad এর দীর্ঘস্থায়ী, ভারী, ম্যাসকুলিন আবেশ, যা ধীরে ধীরে শরীরের সঙ্গে মিশে গিয়ে হয়ে ওঠে আপনারই অংশ।




Rifat Hossain –
ঘ্রান ভাল তবে অনেক বেশিই নাকে লাগে, বেশি ইউজ করলে মাথা মুথা ঘুরায় প্রেশার উঠে যাবে একদম অল্প ইউজ করলেই প্রচুর লাস্টিং করে, যারা একটু ডার্ক সুইট ঘ্রান পছন্দ করে শুধু তাদের ভাল্লাগবে।