গরম, খুব গরম, খুব বেশিই গরম, ইউ আর সো হট রাইট নাও! ওকে কুল করার অস্ত্র আছে। সেন্টারার “দ্যি ব্লু ক্যাশে” এপ্লাই করেন৷ কুলনেস ওভারলোডেড!
এহহেরে “কুলনেস ওভারলোডেড” কথাটা ট্যাগলাইন হিসেবে ইউজ করতে পারতাম, খেয়াল করি নাই। যাইহোক “দ্যি ব্লু ক্যাশে” জিনিসটা অস্থির৷ প্রথমবার স্নিফ করার পর নাকটা পিছনে নিয়ে তাজ্জব হয়ে দেড়গুণ স্পীডে বলবেন এহ! এটা কি? কিন্তু কাপড়ে মাখার জাস্ট ৫ টা মিনিট পর সেই আপনিই আবার স্লো মোশনে এটার তারিফ করতে করতে বলবেন, ওহহ মাই গড! এটা কীইইইই? এতো আরাম কেনঅঅঅ? ইয়েস! মার্ক মাই ওয়ার্ডস, এই জিনিসটা সাবিকুন নাহার সারার পোস্টের চেয়েও বেশি সারপ্রাইজিং।
.
হুদাই কি ভাই, কোনো ঢালাও প্রচার ছাড়াই প্রোডাক্ট স্টক আউট হয়ে যান বলেন? কয়টা পোস্ট দিছি “দ্যি ব্লু ক্যাশে” নিয়ে? কিন্তু ঠিকই কিন্তু একবার স্টক আউট হইছে, ইভেন কোনো এডও চালাই নাই। কারন দ্যি ব্লু ক্যাশের মার্কেটিং লাগে নাহ, এই মালটা নিজেই মার্কেটিং, আমি জানি তো! অফিসে গিয়ে কেউ মাখবে আর কলিগ এসে বলবে কি পার্ফিউম মারসেন বাহে, আমারেও একটা আইনা দেন। ভার্সিটিতে ইউজ করে যাবে, বন্ধুরা পকেটে খুঁজবে, ডেটিং এ ইউজ করে যাবে বিয়া হয়ে যাবে। আর জিনিসটা ছড়ায় কিন্তু সেই, প্রবাহিত পানির মতো ধীরে ধীরে ছড়ায় আর নাকে নাকে শীতলতা পৌঁছায় দেন৷
.
আরে ভাই, নোটসগুলাই তো এমন খেলায় করে দেখেন৷ ম্যারিন, আইস, পাউডারি, একুয়াটিক, ওয়াটারি, হোয়াইট ফ্লোরাল, মিড উডি, নাইট ব্লোসম। আহ! মধু মধু। ঠাণ্ডা লাগবে না মানে? বরফ হয়ে যাবে এর ঘ্রাণে মন। আর এটার স্মেল অক্সিডেন্টাল পার্ফিউমিক। পছন্দ হবেই হবে। হতেই হবে। আপনি হট টাইমে কুল হইতে চান অথবা কুলনেসকে হট বানাইতে চান, এই ব্লু ক্যাশে হয়ে উঠবে আপনার জন্য সিগ্মেচার আইটেম। আর নেয়ার পর যদি আপনি রিপীট অর্ডার না দেন, তাইলে আমাকে বইলেন, ইউজার ডাটার উপর বেইজ করে কনফিডেন্টলি বললাম জিনিসটা। তো! টিকেটটা কেটেই ফেলেন দ্যি ব্লু ক্যাশে আপনার পকেট খসানোর অপেক্ষায়।





তোউফিক হক –
জোস জিনিস